Class 9-10 Math Chapter 8 (Circle) Exercise 8.5 and Sample Questions Solutions with Explanation
By SH SOHEL. . 16 minute read.
নবম-দশম শ্রেণির গণিত বইয়ের অষ্টম অধ্যায় "বৃত্ত"-এর অনুশীলনী ৮.৫ এবং এই অধ্যায়ের নমুনা প্রশ্নের সব সমাধান এখানে দেওয়া হলো। বৃত্ত সম্পর্কিত অঙ্কনগুলোর ধাপে ধাপে বিবরণ ও চূড়ান্ত চিত্র যুক্ত করা হয়েছে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: বইয়ের উত্তরমালায় ৬, ৭ ও ৮ নম্বর অধ্যায়ের কোনো উত্তর দেওয়া নেই। তাই বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তর এবং অঙ্কনের মাপ (যেমন পরিবৃত্তের ব্যাসার্ধ) নিজে হিসাব করে যাচাই করা হয়েছে। চিত্রে অঙ্কনের চূড়ান্ত রূপ দেখানো হয়েছে। কম্পাসের চাপ ও চিহ্ন কাগজে ধাপগুলো অনুসরণ করে আঁকতে হবে।
আগে জেনে নিই
- ত্রিভুজের পরিবৃত্তের কেন্দ্র যেকোনো দুই বাহুর লম্বসমদ্বিখণ্ডকের ছেদবিন্দু। অন্তর্বৃত্তের কেন্দ্র দুই কোণের সমদ্বিখণ্ডকের ছেদবিন্দু।
- ত্রিভুজের বহির্বৃত্তের কেন্দ্র একটি অন্তঃকোণের সমদ্বিখণ্ডক ও অপর দুই কোণের বহির্দ্বিখণ্ডকের ছেদবিন্দু।
- বৃত্তের স্পর্শক স্পর্শবিন্দুগামী ব্যাসার্ধের ওপর লম্ব। বহিঃস্থ বিন্দু থেকে বৃত্তের দুটি স্পর্শক সমান।
- ত্রিভুজের বাহু a, b, c এবং ক্ষেত্রফল K হলে পরিব্যাসার্ধ (এখানে )।
- বৃত্তাপের ওপর কোণ: বৃত্তস্থ কোণ কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক এবং অধিচাপে অন্তর্লিখিত কোণ সূক্ষ্মকোণ।
অনুশীলনী ৮.৫
1. কোন বৃত্তের অধিচাপে অন্তর্লিখিত কোণ –
ক) সূক্ষ্মকোণ খ) স্থূলকোণ গ) সমকোণ ঘ) পূরককোণ
সমাধান:
অধিচাপ হলো অর্ধবৃত্তের চেয়ে বড় চাপ। এর ওপর অন্তর্লিখিত কোণের বিপরীত চাপ অর্ধবৃত্তের চেয়ে ছোট (উপচাপ)।
উপচাপের ওপর কেন্দ্রস্থ কোণ -এর কম। বৃত্তস্থ কোণ তার অর্ধেক, অর্থাৎ -এর কম।
ব্যাখ্যা: অধিচাপে অন্তর্লিখিত কোণ সবসময় 90°-এর কম, অর্থাৎ সূক্ষ্মকোণ। (পাঠ্যবইয়ের অনুসিদ্ধান্ত ৫)
উত্তর: ক) সূক্ষ্মকোণ
2. পাশের চিত্রে = কত ডিগ্রি?

ক) 40° খ) 50° গ) 80° ঘ) 100°
সমাধান:
বৃত্তস্থ চতুর্ভুজ এবং বাহুকে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বহিঃস্থ কোণ।
বহিঃস্থ কোণ তার বিপরীত অন্তঃস্থ কোণের সমান, তাই ।
।
ব্যাখ্যা: বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বহিঃস্থ কোণ বিপরীত অন্তঃস্থ কোণের সমান। তাই এবং তার অর্ধেক 40°।
উত্তর: ক) 40°
3. সমবাহু ত্রিভুজের পরিকেন্দ্র হলে, = কত ডিগ্রি?
ক) 30° খ) 60° গ) 90° ঘ) 120°
সমাধান:
সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি কোণ , তাই ।
চাপের ওপর কেন্দ্রস্থ কোণ বৃত্তস্থ কোণের দ্বিগুণ। তাই ।
ব্যাখ্যা: পরিকেন্দ্র থেকে -এর ওপর কেন্দ্রস্থ কোণ -এর দ্বিগুণ, অর্থাৎ 120°।
উত্তর: ঘ) 120°
4. কোনো বৃত্তে এমন একটি স্পর্শক আঁকো যেন তা নির্দিষ্ট সরলরেখার সমান্তরাল হয়।

সমাধান:
মনে করি, কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্ত এবং একটি নির্দিষ্ট সরলরেখা দেওয়া আছে।
অঙ্কনের ধাপ:
১. বিন্দু দিয়ে -এর ওপর লম্ব আঁকি। এটি বৃত্তকে বিন্দুতে ছেদ করে।
২. বিন্দুতে -এর ওপর লম্ব আঁকি।
৩. রেখাই উদ্দিষ্ট স্পর্শক।
প্রমাণ: বলে বৃত্তের স্পর্শক (স্পর্শবিন্দু )। আবার এবং হওয়ায় ।
ব্যাখ্যা: দুটি রেখা একই রেখার ওপর লম্ব হলে তারা সমান্তরাল। তাই -এর ওপর লম্ব ব্যাসার্ধের প্রান্তে স্পর্শক আঁকলে তা -এর সমান্তরাল হয়।
উত্তর: হলো -এর সমান্তরাল স্পর্শক। (ব্যাসের অপর প্রান্তে আরও একটি স্পর্শক আঁকা যায়।)
5. কোনো বৃত্তে এমন একটি স্পর্শক আঁকো যেন তা নির্দিষ্ট সরলরেখার ওপর লম্ব হয়।

সমাধান:
মনে করি, কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্ত এবং নির্দিষ্ট সরলরেখা।
অঙ্কনের ধাপ:
১. বিন্দু দিয়ে -এর সমান্তরাল রেখা আঁকি। এটি বৃত্তকে বিন্দুতে ছেদ করে।
২. বিন্দুতে -এর ওপর লম্ব আঁকি।
৩. রেখাই উদ্দিষ্ট স্পর্শক।
প্রমাণ: এবং , তাই ।
ব্যাখ্যা: ব্যাসার্ধ -এর সমান্তরাল হলে ব্যাসার্ধের ওপর লম্ব স্পর্শকটি -এর ওপরও লম্ব হয়।
উত্তর: হলো -এর ওপর লম্ব স্পর্শক।
6. কোনো বৃত্তে এমন দুইটি স্পর্শক আঁকো যেন এদের অন্তর্ভুক্ত কোণ হয়।

সমাধান:
মনে করি, কেন্দ্রবিশিষ্ট একটি বৃত্ত দেওয়া আছে।
অঙ্কনের ধাপ:
১. বিন্দুতে আঁকি, যেখানে বৃত্তের ওপর অবস্থিত।
২. বিন্দুতে -এর ওপর এবং বিন্দুতে -এর ওপর লম্ব আঁকি। লম্ব দুটি বিন্দুতে মিলিত হয়।
৩. ও হলো উদ্দিষ্ট স্পর্শক।
প্রমাণ: ও , তাই চতুর্ভুজ -এ
।
ব্যাখ্যা: স্পর্শক দুটির অন্তর্ভুক্ত কোণ ও কেন্দ্রের কোণ পরস্পর সম্পূরক। তাই 60° কোণের জন্য কেন্দ্রে 120° আঁকতে হয়।
উত্তর: এবং স্পর্শক।
7. সে.মি., সে.মি. ও সে.মি. বাহুবিশিষ্ট একটি ত্রিভুজের পরিবৃত্ত আঁক এবং এই বৃত্তের ব্যাসার্ধ নির্ণয় করো।

সমাধান:
প্রথমে ত্রিভুজ হয় কিনা দেখি: , তাই ত্রিভুজ আঁকা সম্ভব।
অঙ্কনের ধাপ:
১. সে.মি. আঁকি। কেন্দ্র ও 3 সে.মি. এবং কেন্দ্র ও 4 সে.মি. ব্যাসার্ধ নিয়ে দুটি চাপ আঁকি। চাপ দুটি বিন্দুতে ছেদ করে।
২. ও যোগ করে পাই।
৩. ও -এর লম্বসমদ্বিখণ্ডক আঁকি। এরা বিন্দুতে ছেদ করে।
৪. কেন্দ্র ও ব্যাসার্ধ নিয়ে বৃত্ত আঁকি। এটিই -এর পরিবৃত্ত।
ব্যাসার্ধ নির্ণয়:
ক্ষেত্রফল বর্গ সে.মি.
সে.মি.
কাগজে মেপে দেখলে প্রায় 2.3 সে.মি. পাওয়া যাবে।
ব্যাখ্যা: ত্রিভুজের তিন শীর্ষ থেকে সমান দূরের বিন্দু হলো দুই বাহুর লম্বসমদ্বিখণ্ডকের ছেদবিন্দু। সেখান থেকে শীর্ষ পর্যন্ত দূরত্বই পরিবৃত্তের ব্যাসার্ধ।
উত্তর: পরিবৃত্তের ব্যাসার্ধ সে.মি.
8. সে.মি. বাহুবিশিষ্ট একটি সমবাহু ত্রিভুজ -এর বাহুকে স্পর্শ করিয়ে একটি বহির্বৃত্ত আঁকো।

সমাধান:
অঙ্কনের ধাপ:
১. সে.মি. নিয়ে সমবাহু আঁকি।
২. -কে পর্যন্ত এবং -কে পর্যন্ত বাড়াই।
৩. -এর সমদ্বিখণ্ডক এবং -এর সমদ্বিখণ্ডক আঁকি। এরা বিন্দুতে মিলিত হয়।
৪. থেকে -এর ওপর লম্ব আঁকি।
৫. কেন্দ্র ও ব্যাসার্ধ নিয়ে বৃত্ত আঁকি। এটি , ও তিন রেখাকেই স্পর্শ করে। এটিই বহির্বৃত্ত।
ব্যাসার্ধ যাচাই: ক্ষেত্রফল এবং
বহির্বৃত্তের ব্যাসার্ধ সে.মি.।
ব্যাখ্যা: কোণের সমদ্বিখণ্ডকের ওপরের প্রতিটি বিন্দু কোণের দুই বাহু থেকে সমান দূরে থাকে। তাই বিন্দু তিনটি রেখা থেকেই সমান দূরে এবং বৃত্তটি এদের স্পর্শ করে।
উত্তর: -কে স্পর্শকারী বহির্বৃত্ত আঁকা হলো, যার ব্যাসার্ধ সে.মি.।
9. একটি বর্গের অন্তর্বৃত্ত ও পরিবৃত্ত আঁকো।

সমাধান:
মনে করি, বর্গের বাহু 4 সে.মি. (যেকোনো মাপ নেওয়া যায়)।
অঙ্কনের ধাপ:
১. বর্গ আঁকি, যার বাহু সে.মি.।
২. ও কর্ণ আঁকি। কর্ণ দুটি বিন্দুতে ছেদ করে।
৩. থেকে -এর ওপর লম্ব টেনে ব্যাসার্ধ সে.মি. পাই। কেন্দ্র ও 2 সে.মি. ব্যাসার্ধ নিয়ে বৃত্ত আঁকি। এটি অন্তর্বৃত্ত।
৪. কেন্দ্র ও ব্যাসার্ধ নিয়ে বৃত্ত আঁকি। এটি পরিবৃত্ত।
মাপ: সে.মি.।
ব্যাখ্যা: বর্গের কর্ণ দুটি সমান ও পরস্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করে, তাই চার শীর্ষ থেকে সমান দূরে। আবার চার বাহু থেকেও সমান দূরে (দূরত্ব বাহুর অর্ধেক)।
উত্তর: অন্তর্বৃত্তের ব্যাসার্ধ 2 সে.মি. এবং পরিবৃত্তের ব্যাসার্ধ সে.মি. (বাহু 4 সে.মি. হলে)।
10. কেন্দ্রবিশিষ্ট কোনো বৃত্তের ও জ্যা দুইটি বৃত্তের অভ্যন্তরস্থ বিন্দুতে ছেদ করলে প্রমাণ করো যে, ।

সমাধান:
অঙ্কন: যোগ করি।
প্রমাণ: -এ -কে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে, তাই বহিঃস্থ কোণ।
। (১)
[ চাপের ওপর বৃত্তস্থ ও কেন্দ্রস্থ কোণ]। (২)
[ চাপের ওপর]। (৩)
(২) ও (৩) (১)-এ বসিয়ে । (প্রমাণিত)
ব্যাখ্যা: বহিঃস্থ কোণ দুই অন্তঃস্থ কোণের সমষ্টি। প্রতিটি বৃত্তস্থ কোণ তার কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক।
উত্তর:
11. দুইটি সমান ব্যাসবিশিষ্ট বৃত্তের সাধারণ জ্যা । বিন্দু দিয়ে অঙ্কিত কোন সরলরেখা যদি বৃত্ত দুইটির সাথে ও বিন্দুতে মিলিত হয়, তবে সমদ্বিবাহু।

সমাধান:
মনে করি, সমান ব্যাসের দুই বৃত্ত ও বিন্দুতে ছেদ করেছে এবং দিয়ে একটি সরলরেখা প্রথম বৃত্তকে ও দ্বিতীয় বৃত্তকে বিন্দুতে ছেদ করেছে। প্রমাণ করতে হবে, ।
অঙ্কন: ও যোগ করি।
প্রমাণ: দুই বৃত্ত সমান এবং দুই বৃত্তেরই সাধারণ জ্যা।
সমান বৃত্তে একই জ্যা-এর ওপর বৃত্তস্থ কোণ সমান। তাই ।
এক সরলরেখায় থাকায় এবং ।
অতএব ।
-এ দুই কোণ সমান হওয়ায় বিপরীত বাহু সমান, অর্থাৎ ।
তাই সমদ্বিবাহু। (প্রমাণিত)
ব্যাখ্যা: দুটি বৃত্ত সমান হলে একই জ্যা দুই বৃত্তের পরিধিতে সমান কোণ উৎপন্ন করে। তাই ও বিন্দুতে -এর কোণ সমান এবং ত্রিভুজটি সমদ্বিবাহু।
উত্তর: , অর্থাৎ সমদ্বিবাহু।
বইয়ের উত্তরমালা সম্পর্কে নোট: ১১ নম্বর প্রশ্নে বইয়ে সমদ্বিবাহু লেখা আছে। ও বিন্দু দুই বৃত্তের সংশ্লিষ্ট চাপে আছে ধরে (চিত্র অনুযায়ী) নেওয়া হয়েছে।
12. চিত্রে ও যথাক্রমে ও -এর অন্তর্দ্বিখণ্ডক এবং ও যথাক্রমে ও -এর বহির্দ্বিখণ্ডক।

সমাধান:
ক) দেখাও যে, ।
অন্তর্দ্বিখণ্ডক, তাই ।
বহির্দ্বিখণ্ডক, তাই ।
যোগ করে । (দেখানো হলো)
খ) প্রমাণ করো যে, ।
-এ এবং ।
, তাই
। (প্রমাণিত)
গ) প্রমাণ করো যে, ও বিন্দু চারটি সমবৃত্ত।
(ক) থেকে । একইভাবে ।
চতুর্ভুজ -এ ।
বিপরীত কোণ সম্পূরক, তাই সমবৃত্ত। (প্রমাণিত)
ব্যাখ্যা: (ক) অন্তর্দ্বিখণ্ডক ও বহির্দ্বিখণ্ডক পরস্পর লম্ব। (খ) ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180° ব্যবহার করেছি। (গ) বিপরীত দুই কোণ সমকোণ হওয়ায় বিন্দু চারটি একই বৃত্তে (ব্যাস )।
উত্তর: ক) ; খ) ; গ) সমবৃত্ত
13. একটি ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে সে.মি., সে.মি. ও সে.মি.। উপরের তথ্য অনুযায়ী নিম্নের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

সমাধান:
ক) ত্রিভুজটি অঙ্কন করো।
, তাই ত্রিভুজ আঁকা সম্ভব।
১. সে.মি. আঁকি।
২. কেন্দ্র ও 4 সে.মি. এবং কেন্দ্র ও 5 সে.মি. ব্যাসার্ধ নিয়ে চাপ আঁকি। চাপ দুটি বিন্দুতে ছেদ করে।
৩. ও যোগ করলে পাওয়া যায়।
খ) ত্রিভুজটির পরিবৃত্ত অঙ্কন করো।
১. ও -এর লম্বসমদ্বিখণ্ডক আঁকি। এরা বিন্দুতে ছেদ করে।
২. কেন্দ্র ও ব্যাসার্ধ নিয়ে বৃত্ত আঁকি। এটিই পরিবৃত্ত।
ব্যাসার্ধ যাচাই: ,
সে.মি.।
গ) ত্রিভুজের পরিবৃত্তের বাইরে যেকোনো একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে বৃত্তের দুইটি স্পর্শক অঙ্কন করে দেখাও যে স্পর্শকদ্বয়ের দূরত্ব সমান।
মনে করি, বাইরের বিন্দু এবং পরিবৃত্তের কেন্দ্র ।
১. যোগ করে মধ্যবিন্দু নির্ণয় করি।
২. কেন্দ্র ও ব্যাসার্ধ নিয়ে বৃত্ত আঁকি। এটি পরিবৃত্তকে ও বিন্দুতে ছেদ করে।
৩. ও যোগ করি। এরা স্পর্শক, কারণ ব্যাস হওয়ায় ।
প্রমাণ: সমকোণী ও -এ সাধারণ অতিভুজ এবং (ব্যাসার্ধ)।
, অতএব । (দেখানো হলো)
ব্যাখ্যা: ক) তিন বাহু জানা থাকলে ত্রিভুজ আঁকা যায়। খ) পরিবৃত্তের কেন্দ্র দুই বাহুর লম্বসমদ্বিখণ্ডকের ছেদবিন্দু। গ) বাইরের বিন্দু থেকে দুই স্পর্শক সমান।
উত্তর: ক) ত্রিভুজ অঙ্কিত; খ) পরিবৃত্ত অঙ্কিত, ব্যাসার্ধ সে.মি.; গ)
বইয়ের উত্তরমালা সম্পর্কে নোট: ৮.৫-এ ক্ষেত্রবিশেষে বইয়ে ধাপ বা মাপ দেওয়া নেই। অঙ্কন প্রশ্নে চূড়ান্ত চিত্র এবং ব্যাসার্ধের মান নিজে হিসাব করে মেলানো হয়েছে। ১৩(গ)-তে স্পর্শক অঙ্কনের পদ্ধতি ৮.৪-এর ৫(ক)-এর মতোই।
নমুনা প্রশ্ন
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
1. কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্তে -এর মান কত?

ক) 126° খ) 108° গ) 72° ঘ) 54°
সমাধান:
চিত্রে এবং ।
চাপের ওপর কেন্দ্রস্থ কোণ , তাই বিন্দুতে বৃত্তস্থ কোণ ।
বৃত্তস্থ চতুর্ভুজ, তাই বিপরীত কোণ সম্পূরক।
।
ব্যাখ্যা: বৃত্তস্থ কোণ কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক (54°)। বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণ সম্পূরক, তাই 180° - 54° = 126°।
উত্তর: ক) 126°
2. দুইটি বৃত্ত পরস্পরকে বহিঃস্পর্শ করে। এদের একটির ব্যাস 8 সে.মি. এবং অপরটির ব্যাসার্ধ 4 সে.মি. হলে, এদের কেন্দ্রদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব কত সে.মি. হবে?
ক) 0 খ) 4 গ) 8 ঘ) 12
সমাধান:
প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ সে.মি. এবং দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ সে.মি.।
বহিঃস্পর্শ করলে কেন্দ্রদ্বয়ের দূরত্ব ব্যাসার্ধের যোগফলের সমান।
দূরত্ব সে.মি.।
ব্যাখ্যা: বহিঃস্পর্শের ক্ষেত্রে দূরত্ব । ব্যাস 8 সে.মি. মানে ব্যাসার্ধ 4 সে.মি., তাই দূরত্ব 8 সে.মি.।
উত্তর: গ) 8
নিচের তথ্যের আলোকে ৩ ও ৪ নং প্রশ্নের উত্তর দাও:
ও রেখাদ্বয় বৃত্তের স্পর্শক। বৃত্তের কেন্দ্র এবং ।

3. -এর মান কত?
ক) 300° খ) 270° গ) 120° ঘ) 90°
সমাধান:
স্পর্শক, তাই ও , অর্থাৎ ।
চতুর্ভুজ -এর চার কোণের সমষ্টি
।
ব্যাখ্যা: স্পর্শবিন্দুতে ব্যাসার্ধ ও স্পর্শক লম্ব। চতুর্ভুজের কোণের সমষ্টি 360° থেকে 90°, 90° ও 60° বাদ দিলে 120°।
উত্তর: গ) 120°
4. , চাপের মধ্যবিন্দু হলে–
(i)
(ii)
(iii)
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii খ) i ও iii গ) ii ও iii ঘ) i, ii ও iii
সমাধান:
(ii) এবং ৩ নং থেকে , তাই ✓।
(i) বড় চাপ -এর ওপর। ✓।
(iii) চাপ -এর মধ্যবিন্দু, তাই এবং ।
-এ ✓।
তিনটি বিবৃতিই সঠিক।
ব্যাখ্যা: কেন্দ্রস্থ কোণ 120°, বৃত্তস্থ কোণ তার অর্ধেক 60°। মধ্যবিন্দু হওয়ায় সমদ্বিবাহু এবং তার দুই কোণের সমষ্টি 120°।
উত্তর: ঘ) i, ii ও iii
সৃজনশীল প্রশ্ন
5. চিত্রে, কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্তের দুটি সমান জ্যা ও ।

সমাধান:
ক) বৃত্তে অন্তর্লিখিত চতুর্ভুজ -এর হলে, নির্ণয় করো।
বৃত্তস্থ চতুর্ভুজ এবং বিপরীত কোণ।
বিপরীত কোণ সম্পূরক, তাই ।
খ) প্রমাণ করো যে, জ্যা-এর মধ্যবিন্দু ।
দেওয়া আছে । অঙ্কন: ও যোগ করি।
সমকোণী ও -এ
অতিভুজ [ব্যাসার্ধ]
সাধারণ বাহু।
[অতিভুজ-বাহু]
, অর্থাৎ জ্যা -এর মধ্যবিন্দু। (প্রমাণিত)
গ) প্রমাণ করো যে, উদ্দীপকে উল্লিখিত জ্যাদ্বয় কেন্দ্র থেকে সমদূরবর্তী।
মনে করি, । প্রমাণ করতে হবে, ।
(খ) অনুযায়ী এবং একইভাবে ।
(দেওয়া আছে), তাই ।
সমকোণী ও -এ সাধারণ অতিভুজ এবং ।
[অতিভুজ-বাহু]।
।
অতএব জ্যা ও কেন্দ্র থেকে সমদূরবর্তী। (প্রমাণিত)
ব্যাখ্যা: ক) বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বিপরীত কোণ সম্পূরক। খ) লম্ব জ্যা-কে সমদ্বিখণ্ডিত করে। গ) সমান জ্যা-এর অর্ধেকও সমান, তাই সর্বসম ত্রিভুজ থেকে দূরত্ব সমান।
উত্তর: ক) ; খ) ও গ) প্রমাণিত
বইয়ের উত্তরমালা সম্পর্কে নোট: ৫ নম্বর সৃজনশীল প্রশ্নের চিত্রে শুধু বৃত্ত আছে, চতুর্ভুজ নেই। তাই (ক) অংশের জন্য আলাদা চিত্র দেওয়া হয়নি। চিত্রে বিন্দুটি বইয়ে দেওয়া নেই; (গ)-এর জন্য -এর ওপর থেকে লম্বের পাদবিন্দু ধরা হয়েছে।
সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন
6. (ক) কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্তের জ্যা সে.মি. ও কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর ওপর অঙ্কিত লম্ব সে.মি. হলে, -এর দৈর্ঘ্য নির্ণয় করো।
সমাধান:
প্রশ্নে সে.মি. আগেই দেওয়া আছে। তাই প্রশ্নটি সম্ভবত ব্যাসার্ধ (বা ) নির্ণয়ের জন্য। সেটি করা হলো।
, তাই সে.মি. [লম্ব জ্যা-কে সমদ্বিখণ্ডিত করে]।
সমকোণী -এ
সে.মি.।
ব্যাখ্যা: কেন্দ্র থেকে লম্ব জ্যা-কে সমান দুই ভাগে ভাগ করে। তারপর পিথাগোরাসের সূত্রে ব্যাসার্ধ পাওয়া যায়।
উত্তর: সে.মি. (দেওয়া আছে); বৃত্তের ব্যাসার্ধ সে.মি.
বইয়ের উত্তরমালা সম্পর্কে নোট: ৬(ক)-তে বইয়ে সে.মি. দেওয়া থাকা সত্ত্বেও -এর দৈর্ঘ্য নির্ণয় করতে বলা হয়েছে। এটি ছাপার ভুল মনে হয়। সম্ভবত -এর (ব্যাসার্ধ) মান চাওয়া হয়েছে, যা 5 সে.মি.।
(খ) কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্তের বাহুকে বর্ধিত করলে দেখাও যে, বহিঃস্থ কোণ ।
সমাধান:
মনে করি, বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বাহুকে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
বৃত্তস্থ চতুর্ভুজ, তাই । (১)
সরলরেখা, তাই । (২)
(১) ও (২) থেকে । (দেখানো হলো)
ব্যাখ্যা: বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বহিঃস্থ কোণ তার বিপরীত অন্তঃস্থ কোণের সমান।
উত্তর:
বইয়ের উত্তরমালা সম্পর্কে নোট: ৬(খ)-তে বইয়ে -কে পর্যন্ত বর্ধিত লেখা আছে এবং দেখাতে বলা হয়েছে। আগে থেকেই শীর্ষবিন্দু, তাই এটি ছাপার ভুল মনে হয়। এখানে বর্ধিত বিন্দুকে ধরে বহিঃস্থ কোণ দেখানো হয়েছে।
(গ) পেন্সিল কম্পাসের সাহায্যে 3 সে.মি. ব্যাসার্ধের একটি বৃত্তচাপ -এর কেন্দ্র নির্ণয় করো।

সমাধান:
অঙ্কনের ধাপ:
১. কম্পাস 3 সে.মি. খুলে একটি বৃত্তচাপ আঁকি এবং তার ওপর তিনটি বিন্দু নিই।
২. ও যোগ করি।
৩. ও -এর লম্বসমদ্বিখণ্ডক আঁকি। এরা বিন্দুতে ছেদ করে।
৪. -ই বৃত্তচাপের কেন্দ্র। মাপলে 3 সে.মি. পাওয়া যায়।
প্রমাণ: বিন্দু -এর লম্বসমদ্বিখণ্ডকের ওপর, তাই । আবার বিন্দু -এর লম্বসমদ্বিখণ্ডকের ওপর, তাই । অতএব , অর্থাৎ কেন্দ্র।
ব্যাখ্যা: বৃত্তের যেকোনো জ্যা-এর লম্বসমদ্বিখণ্ডক কেন্দ্র দিয়ে যায়। দুটি জ্যা-এর লম্বসমদ্বিখণ্ডকের ছেদবিন্দুই কেন্দ্র।
উত্তর: হলো বৃত্তচাপের কেন্দ্র; সে.মি.
(ঘ) কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্তের বৃত্তচাপের ওপর দণ্ডায়মান বৃত্তস্থ কোণ ও হলে, দেখাও যে, ।

সমাধান:
অঙ্কন: ও যোগ করি।
চাপের ওপর কেন্দ্রস্থ কোণ ।
[বৃত্তস্থ কোণ কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক]। (১)
[একই চাপের ওপর]। (২)
(১) ও (২) থেকে । (দেখানো হলো)
ব্যাখ্যা: একই চাপের ওপর কেন্দ্রস্থ কোণ একটাই। তাই এর ওপর সব বৃত্তস্থ কোণ সেই কোণের অর্ধেক, অর্থাৎ পরস্পর সমান।
উত্তর:
Comments (0)
No comments yet. Be the first.