Skip to content

Class 9-10 Math Chapter 6 (Lines, Angles and Triangles) Exercise 6.2 Solutions with Explanation

By SH SOHEL. . 4 minute read.

নবম-দশম শ্রেণির গণিত বইয়ের ষষ্ঠ অধ্যায় "রেখা, কোণ ও ত্রিভুজ"-এর অনুশীলনী ৬.২-এর সব প্রশ্নের সমাধান এখানে চিত্রসহ দেওয়া হলো। প্রতিটি সংজ্ঞার সঙ্গে সহজ ব্যাখ্যা যোগ করা হয়েছে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই অনুশীলনীর সব প্রশ্ন সংজ্ঞাভিত্তিক, তাই সংখ্যাগত উত্তর নেই। বইয়ের উত্তরমালায় অধ্যায় ৬-এর কোনো উত্তর দেওয়া নেই। তাই উত্তরগুলো বইয়ের পাঠের সংজ্ঞা অনুযায়ী লেখা হয়েছে।

আগে জেনে নিই

  • একই সমতলে দুইটি রশ্মির প্রান্তবিন্দু একই হলে কোণ তৈরি হয়। রশ্মি দুইটি কোণের বাহু এবং সাধারণ প্রান্তবিন্দু কোণের শীর্ষবিন্দু।
  • এক সমকোণ = 90° এবং দুই সমকোণ (সরল কোণ) = 180°।
  • কোণের নাম লিখতে শীর্ষবিন্দুর অক্ষর মাঝখানে বসে। যেমন ∠POQ\angle POQ-এর শীর্ষবিন্দু O।

অনুশীলনী ৬.২

1. কোণের অভ্যন্তর ও বহির্ভাগের সংজ্ঞা দাও।

সমাধান:

মনে করি, OP ও OQ রশ্মিদ্বয় সাধারণ প্রান্তবিন্দু O-তে ∠POQ\angle POQ উৎপন্ন করেছে।

অভ্যন্তর: OP-এর যে পার্শ্বে Q আছে সেই পার্শ্বে এবং OQ-এর যে পার্শ্বে P আছে সেই পার্শ্বে অবস্থিত সকল বিন্দুর সেটকে ∠POQ\angle POQ-এর অভ্যন্তর বলা হয়।

বহির্ভাগ: কোণটির অভ্যন্তরে অথবা কোনো বাহুতে অবস্থিত নয়, এমন সকল বিন্দুর সেটকে কোণটির বহির্ভাগ বলা হয়।

কোণের অভ্যন্তর ও বহির্ভাগ

ব্যাখ্যা: চিত্রে হালকা নীল অংশটি কোণের অভ্যন্তর। কোণের দুই বাহুর "ভেতরের" অংশ হলো অভ্যন্তর। কোণের বাহু দুটি এবং অভ্যন্তর বাদে সমতলের বাকি সব অংশ বহির্ভাগ।

উত্তর: বইয়ের সংজ্ঞা অনুযায়ী অভ্যন্তর ও বহির্ভাগ উপরে লেখা হলো।

2. একই সরলরেখাস্থ তিনটি ভিন্ন বিন্দু দিয়ে উৎপন্ন কোণগুলোর নামকরণ করো।

সমাধান:

মনে করি, A, B, C একই সরলরেখার তিনটি ভিন্ন বিন্দু এবং B বিন্দুটি A ও C-এর মাঝখানে আছে।

BA ও BC রশ্মি দুইটি পরস্পর বিপরীত রশ্মি এবং এদের সাধারণ প্রান্তবিন্দু B।

দুইটি পরস্পর বিপরীত রশ্মি এদের সাধারণ প্রান্তবিন্দুতে যে কোণ উৎপন্ন করে, তাকে সরল কোণ বলে।

অতএব, উৎপন্ন কোণটি ∠ABC\angle ABC (অথবা ∠CBA\angle CBA) এবং এটি একটি সরল কোণ।

সরল কোণের পরিমাণ দুই সমকোণ, অর্থাৎ ∠ABC=180°\angle ABC = 180\degree।

ব্যাখ্যা: তিনটি বিন্দু একই রেখায় থাকলে রেখাটি সোজা, কোনো "বাঁক" তৈরি হয় না। তাই মাঝের বিন্দুতে দুই পাশের রশ্মি সোজা উল্টো দিকে যায় এবং সরল কোণ তৈরি হয়। A বা C বিন্দুতে বাহু দুটি একই রশ্মির ওপর পড়ে, তাই সেখানে কোনো প্রকৃত কোণ হয় না।

উত্তর: একটি সরল কোণ ∠ABC\angle ABC, যার পরিমাণ 180°।

3. সন্নিহিত কোণের সংজ্ঞা দাও এবং এর বাহুগুলো চিহ্নিত করো।

সমাধান:

সংজ্ঞা: কোনো সমতলে দুইটি কোণের একই শীর্ষবিন্দু থাকলে, এদের একটি সাধারণ রশ্মি থাকলে এবং কোণদ্বয় সাধারণ রশ্মির বিপরীত পাশে অবস্থান করলে, ওই কোণদ্বয়কে পরস্পর সন্নিহিত কোণ বলা হয়।

চিত্রে, A বিন্দুটি ∠BAC\angle BAC ও ∠CAD\angle CAD-এর সাধারণ শীর্ষবিন্দু।

সাধারণ বাহু (রশ্মি) হলো AC।

∠BAC\angle BAC-এর বাহু দুইটি AB ও AC। ∠CAD\angle CAD-এর বাহু দুইটি AC ও AD।

কোণ দুইটি সাধারণ রশ্মি AC-এর বিপরীত পাশে অবস্থিত। তাই ∠BAC\angle BAC ও ∠CAD\angle CAD পরস্পর সন্নিহিত কোণ।

সন্নিহিত কোণ

ব্যাখ্যা: দুইটি কোণ পাশাপাশি থাকলে, একই কোণবিন্দুতে ও একটি বাহু ভাগাভাগি করে থাকলে এবং একটি অপরটির ওপর না চড়লে তারা সন্নিহিত। যেমন পাশাপাশি রাখা দুটি দরজার পাল্লা, যাদের মাঝের কবজা সাধারণ।

উত্তর: সন্নিহিত কোণ ∠BAC\angle BAC ও ∠CAD\angle CAD; সাধারণ বাহু AC; অপর বাহু AB ও AD।

৪. চিত্রসহ সংজ্ঞা দাও: বিপ্রতীপ কোণ, পূরক কোণ, সম্পূরক কোণ, সমকোণ, সূক্ষ্মকোণ এবং স্থূলকোণ।

সমাধান:

(ক) বিপ্রতীপ কোণ: কোনো কোণের বাহুদ্বয়ের বিপরীত রশ্মিদ্বয় যে কোণ তৈরি করে, তা ওই কোণের বিপ্রতীপ কোণ। চিত্রে OA ও OB পরস্পর বিপরীত রশ্মি এবং OC ও OD পরস্পর বিপরীত রশ্মি। তাই ∠BOD\angle BOD ও ∠AOC\angle AOC পরস্পর বিপ্রতীপ কোণ। আবার ∠BOC\angle BOC ও ∠DOA\angle DOAও পরস্পর বিপ্রতীপ।

(খ) পূরক কোণ: দুইটি কোণের পরিমাপের যোগফল এক সমকোণ (90°) হলে কোণ দুইটির একটি অপরটির পূরক কোণ। চিত্রে ∠AOB\angle AOB একটি সমকোণ এবং OC রশ্মি এর অভ্যন্তরে আছে। তাই ∠AOC+∠COB=90°\angle AOC + \angle COB = 90\degree, অর্থাৎ ∠AOC\angle AOC ও ∠COB\angle COB পরস্পর পূরক।

(গ) সম্পূরক কোণ: দুইটি কোণের পরিমাপের যোগফল দুই সমকোণ (180°) হলে কোণ দুইটি পরস্পর সম্পূরক। চিত্রে O বিন্দু AB সরলরেখার ওপর এবং OC রশ্মি রেখার বাইরে। তাই ∠AOC+∠COB=180°\angle AOC + \angle COB = 180\degree, অর্থাৎ কোণ দুইটি পরস্পর সম্পূরক।

পূরক, সম্পূরক ও বিপ্রতীপ কোণ

(ঘ) সমকোণ: একই রেখার ওপর অবস্থিত দুইটি সন্নিহিত কোণ পরস্পর সমান হলে, প্রত্যেকটি কোণকে সমকোণ বলে। সমকোণের পরিমাণ 90°। এই অবস্থায় বাহু দুইটি পরস্পরের ওপর লম্ব।

(ঙ) সূক্ষ্মকোণ: এক সমকোণ থেকে ছোট কোণকে সূক্ষ্মকোণ বলে। অর্থাৎ কোণটি 0° থেকে বড় ও 90° থেকে ছোট।

(চ) স্থূলকোণ: এক সমকোণ থেকে বড় কিন্তু দুই সমকোণ থেকে ছোট কোণকে স্থূলকোণ বলে। অর্থাৎ কোণটি 90° থেকে বড় ও 180° থেকে ছোট।

সূক্ষ্মকোণ, সমকোণ ও স্থূলকোণ

ব্যাখ্যা: মনে রাখার সহজ উপায়: পূরক = মিলে 90°, সম্পূরক = মিলে 180°। বিপ্রতীপ কোণ দুটি পরস্পর সমান (এটি উপপাদ্য ২)। সূক্ষ্ম মানে "ছোট" (90°-এর কম), স্থূল মানে "মোটা" (90° থেকে বেশি কিন্তু 180°-এর কম)।

উত্তর: বিপ্রতীপ কোণ: বিপরীত রশ্মিদ্বয়ের কোণ। পূরক: যোগফল 90°। সম্পূরক: যোগফল 180°। সমকোণ: 90°। সূক্ষ্মকোণ: 90°-এর কম। স্থূলকোণ: 90° থেকে বেশি, 180°-এর কম।

Comments (0)

Be respectful. Comments appear after an admin reviews them.

Sign in or create an account to post.

No comments yet. Be the first.